জি.এম.বাবু. রাজগঞ্জ ॥ আগামী ২৮ নভেম্বর আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোরের মনিরামপুর উপজেলার বন্যাকবলিত মশ্মিমনগর ইউনিয়ন থেকে দ্বিতীয়বারের মত আনারস প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন ইয়ামিন হোসেন। সে লক্ষে গোটা ইউনিয়ন ব্যাপি সর্বাতœক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা সমন্বয়কারি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক ইয়ামিন হোসেন। এলাকায় সৎযোগ্য প্রার্থী হিসেবে দলমত নির্বিশেষে ১০ নং মশ্মিমনগর ইউনিয়নবাসীর দোয়া ও সমর্থন পাওয়ার পর থেকেই আনারস প্রতীক নিয়ে মাঠে নেমে পড়েছেন জনপ্রিয় এ নেতা।
পরিছন্ন সমাজকর্মী গরীব, দুঃখী ও অসহায় মানুষের বন্ধুু সৎযোগ্য ব্যক্তি হিসেব এলাকায় তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। তিনি প্রায় একযুগ ধরে এলাকার বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত আছেন। এছাড়া দীর্ঘদিন এলাকায় গরীব,দুঃখী অসহায় মানুষকে সার্বিক সহযোগিতাসহ উন্নয়নমূলক কাজ করে আসছেন। স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমেছেন।
কাক ডাকা ভোর থেকে শুরু করে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে গভীর রাত অবধি চলছে তার ভোট প্রার্থণা। এদিকে তাকে জেতাতে কর্মী-সমর্থকরাও চালিয়ে যাচ্ছে প্রাণান্ত চেষ্টা।
ফলে প্রচার প্রচারণার শীর্ষ স্থানটি ধরে রেখেছেন মশ্মিমনগর ইউনিয়নে আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইয়ামিন হোসেন। ২ নভেম্বর নমিনেশন জমা দিয়েই সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বেশ জোরেসরে গণসংযোগও চালাচ্ছেন তিনি। গণসংযোগে এলাকার ব্যবসায়ী, শিক্ষক, চাকুরিজিবী, কৃষক, দিনমজুর, মসজিদের ইমামসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। এই জনপদের গরীব, দুঃখী খেটে খাওয়া অসহায় মানুষের বন্ধু হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন তিনি।
গতকাল তিনি পারখাজুরা, বেলতলা, হাজরাকাটি, কাঁঠালতলা, চাকলা এলাকায় সারাদিন গণসংযোগ করেন।
ইয়ামিন হোসেন দৈনিক প্রজন্ম একাত্তরকে বলেন, অর্থের প্রতি তার কোন লোভ নেই। মানব সেবা পরম ধর্ম বলে তিনি সবসময় ইউনিয়নবাসীর সেবা করতে চাঁন। তিনি করোনার ক্লান্তিলগ্নে বন্যাকবলিত এ ইউনিয়নের অসংখ্য অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও নগদ টাকা পৌছে দিয়েছেন। তার বিশ্বাস অবহেলিত এ জনপদের মানুষ তার পাশে আছেন। সুষ্ঠ নির্বাচন হলে বিপুল ভোটের ব্যবধানে আনারস মার্কা নির্বাচিত হবে বলে তিনি আশা করেন।
বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ইয়ামিন হোসেন আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। কিন্তু ১৯৯০ সালে জীবন-জীবিকার তাগিদে যৌবনে তাকে পাড়ি জমাতে হয় সুদূর মালয়েশিয়ায়। এরপর সেখান থেকে ১৯৯৮ সালে দেশে ফিরে আবারও ওই বছরেই চলে যান কোরিয়াতে। সেখানে বসেও স্থানীয় আওয়ামীলীগের সাথে সম্পৃক্ততা ছিল তার। এরপর দীর্ঘ দশ বছর পর ২০০৯ সালে দেশে ফিরে সরাসরিই স্বপ্নের দলটির সদস্য হিসেবে শুরু করেন রাজনীতি। ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা সমন্বয়কারি হিসাবে নির্বাচিত হন তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে জনগণের সেবক হয়ে তাদের পাশে থেকে কাজ করতে চাই। এছাড়া অবহেলিত মশ্মিমনগর ইউনিয়নকে ডিজিটাল ইউনিয়ন করাসহ এখানে সরকারি উদ্যোগের বাইরেও বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠান ও গড়ে তোলা হবে।

