কেশবপুর প্রতিনিধি:কেশবপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মনোনীত করেছে জামায়াতে ইসলামী। চেয়ারম্যান পদে মাওলানা আব্দুস সামাদ ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে অ্যাড. ওজিয়ার রহমানের চুড়ান্ত করেছে দলটি।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সংগঠনের রুকনদের (সদস্য) ভোটে তারা নির্বাচিত হন।
মাওলানা আব্দুস সামাদ কেশবপুর উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমীর এবং বর্তমানে যশোর জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এলাকায় একজন সৎ, দক্ষ ও মানবিক নেতা হিসেবে তার ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তৃণমূল পর্যায়ে যোগ্য নেতৃত্ব বাছাইয়ের লক্ষ্যে রুকনদের ভোটের আয়োজন করা হয়। সেখানে বিপুল জনমত ও সাংগঠনিক দক্ষতায় মাওলানা আব্দুস সামাদ শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেন। এর আগেও তিনি স্থানীয় সাধারণ মানুষের সেবা ও সামাজিক কর্মকা-ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।
মনোনীত হওয়ার পর এক সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় মাওলানা আব্দুস সামাদ বলেন “সংগঠন আমার ওপর যে আস্থা রেখেছে, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। কেশবপুর উপজেলার মানুষের অধিকার আদায়, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং একটি মানবিক উপজেলা গড়ার লক্ষ্যে আমি কাজ করে যেতে চাই। আমি সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সংগঠনের রুকনদের ভোটাভুটির আয়োজন করা হয়। সেখানে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের বিপুল সমর্থনে প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত মনোনীত হন আব্দুস সামাদ ও অ্যাডভোকেট ওজিয়ার রহমান। ওজিয়ার রহমান ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত। তিনি ছাত্রশিবিরের যশোর জেলা পূর্বের সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি কেশবপুর উপজেলা জামায়াতের পেশাজীবী বিভাগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এলাকায় একজন সৎ, দক্ষ ও মানবিক নেতা হিসেবে তার বিশেষ পরিচিতি রয়েছে।
অ্যাডভোকেট ওজিয়ার রহমান বলেন, “সংগঠন ও তৃণমূলের কর্মীরা আমার ওপর যে আস্থা রেখেছেন, তার মর্যাদা রক্ষার চেষ্টা করব। কেশবপুর উপজেলার মানুষের অধিকার রক্ষা এবং এলাকার উন্নয়নে আমি সবসময় সচেষ্ট থাকব। ইনশাআল্লাহ, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ভোটাররা আমাকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে বেছে নেবেন।
উপজেলা জামায়াতের সাধারণ কর্মীদের মাঝে এই মনোনয়নকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।
