কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি:
যশোরের কেশবপুর উপজেলার পাঁজিয়া বাজার থেকে ধলায়তলা শ্বশান হয়ে কৃষ্ণনগর পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার রাস্তার জন্য ১০ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে গন্তব্যে পৌঁছাতে হয়।
এ রাস্তা দিয়ে পাঁজিয়া হয়ে কেশবপুর ও যশোরে যাতায়াতের সহজ মাধ্যম। রাস্তার দুই প্রান্তে বেশির ভাগ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বসবাস।বিগত দিনে বহুবার সরকারের কাছে দেনদরবার করা হলেও রাস্তাটি পাঁকাকরন করা হয়নি। এ ছাড়া রাস্তার দুই ধারে বড় বড় মাছের ঘের। ঘের মালিকরা এই সরু রাস্তা কে মৎস্য ঘেরের ভেড়ি হিসেবে ব্যাবহার করে আসছে।
বর্তমানে এই কাঁচা রাস্তা দিয়ে বাইসাইকেল, মোটরসাইকেল, ভ্যান গাড়ি,এমনকি পায়ে হেঁটে চলাচলের ও অযোগ্য হয়ে পড়ছে। রাস্তা দিয়ে পাঁজিয়া, মাদারডাঙ্গা বড়,পাথরঘাটা,হদ, ব্রাহ্মণডাঙ্গা,চুয়াডাঙ্গা, বুড়ুুলি,পাথরা,চুকনগর এর লোকজন সহজে পাঁজিয়া বাজার ও খুলনার ডুমুরিয়ার চুকনগর বাজারে যাতায়াতের সহজ মাধ্যম। আবার কেশবপুরের চুয়াডাঙ্গা থেকে পাঁজিয়া বাজার থেকে কেশবপু হয়ে যশোরে যাওয়ার একমাত্র সহজ মাধ্যমে। কেশবপুরের পাঁজিয়া গ্রামের আব্দুল গফুর গাজী জানান রাস্তাটি বহুবার সরকারের কাছে দেনদরবার করা হলেও আজও বাস্তবায়ন করা হয় নি। রাস্তাটি খুবই জনগুরুত্বপূর্ণ। দ্রুত পাঁকা করনের দাবি।
কেশবপুর উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ের কর্মকর্তারা জানান,কেশবপুর পাঁজিয়া সড়কের পাঁজিয়া -চুয়াডাঙ্গা কৃষ্ণনগররাস্তার দুইধারে ঘের মালিকরা রাস্তাকে ভেড়ি হিসেবে ব্যবহার করে মুল রাস্তাকে ছোট /সরু করে ফেলেছে। ঘের মালিকরা রাস্তা বাদ দিয়ে ভেড়ি তৈরি করে নেওয়ার পর রাস্তা পাঁকা করার প্রস্তুতি নেয়া হবে। তবে পিচের মাথা থেকে সাবেক ইউপি সদস্য সুচিত্রা বিশ্বাস এর দোকান ঘর পর্যন্ত পাঁকা রাস্তা করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাঁজিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য নির্মল কর্মকার জানান, রাস্তাটি খুবই জনগুরুত্বপূর্ণ। পাঁকাকরন জরুরি।
সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নিজাম উদ্দিন বিশ্বাস বলেন,রাস্তার দুই ধারের মৎস্য ঘেরের মালিকরা রাস্তাকে ভেড়ি হিসেবে ব্যাবহার করাই রাস্তার এই অবস্থা।
প্রশাসনের নিকট দ্রুত কাঁচা রাস্তাটি পাঁকাকরণের জন্য হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসি।
