নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরে একটি স্কুলের সেফটি ট্যাংকের ভেতর থেকে সায়েমা বেগম (৩৫) নামে এক নারী ইটভাটা শ্রমিকের গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) যশোর সদর উপজেলার নরেন্দ্রপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একটি সেফটি ট্যাংক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।
নরেন্দ্রপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিবপদ বিশ্বাস বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে আমি স্কুলে আসি। তখন স্কুলের শিক্ষকরা ভবনের পিছনে বাথরুমের দিক থেকে দুর্গন্ধ আসছে বলে জানান। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় অনেকে সেখানে আসেন। তখন পুলিশকে খবর দেয়া হয়। পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে। তবে তার নাম পরিচয় কেউ বলতে পারেনি। মরদেহটি গলিত ছিল। সেটি পুরুষ না নারীর তা বোঝার উপায় ছিল না।’
যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গের দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য রুহুল আমিন জানিয়েছেন, মরদেহটি এক নারীর। পুলিশ সেভাবেই সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেছে। নিহতের ভাই শরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, ‘সায়েমা সাতক্ষীরার তালা উপজেলার সাতপাখিয়া গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের স্ত্রী। সায়েমা ও তার স্বামী জাহাঙ্গীর হোসেন যশোর সদর উপজেলার নরেন্দ্রপুর গ্রামের দফাদার নামক একটি ইটভাটায় কাজ করতে আসে মাস দেড়েক আগে। মাঝে সে বাড়িতে গিয়েছিল। মাস খানেক আগে সায়েমা নিখোঁজ হয়। তিনি এই ঘটনায় সাতক্ষীরার তালা থানায় একটি জিডিও করেন। বৃহস্পতিবার সকালে যশোরে একটি লাশ উদ্ধারের সংবাদ শুনে আসি। পরে হাসপাতালে গিয়ে বোনের মরদেহ সনাক্ত করি।’
যশোর কোতয়ালি থানার ওসি তাজুল ইসলাম বলেন, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। প্রথমে মরদেহটি নারী না পুরুষের তা বোঝার উপায় ছিল না। লাশটি পঁচে বিকৃত হয়ে গিয়েছিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে লাশের পরিচয় সনাক্ত হয়। নিহতের ভাই লাশের পরিচয় সনাক্ত করেছে। এখন ময়না তদন্তের পর কি ভাবে মৃত্যু হলো তা জানা যাবে।#
