জি.এম.বাবু. রাজগঞ্জ (যশোর) ॥ যখন আকাশ জুড়ে কালো মেঘের ঘনঘটা কিম্বা এক চিলতে রোদের মূখে কালো মেঘের ভিড়। হঠাৎ করেই মুষলধারায় বৃষ্টি। জ্যৈষ্ঠের প্রখর রোদের পরেই এমন প্রশান্তিই বলে দেয় বর্ষাকালের সেই আগমন বার্তা। আষাঢ়-শ্রাবন মুলত দুই মাস বর্ষাকাল।
বর্ষার আগমন যখন চারপাশে দৃর্শ্যমান তখন তার সঙ্গী হতে বৃহত্তর রাজগঞ্জ অঞ্চলের গাছে গাছে দেখা মেলে আরেক অতিথির। গ্রীষ্মের প্রখরতা কমাতে যখন আম, জাম, কাঁঠাল, লিচুসহ নানা ফলের ঘ্রাণে মূখর চারপাশ। ঠিক তখনই রাজগঞ্জ অঞ্চলে আগমন ঘটেছে বর্ষার সঙ্গী সেই কদম ফুলের।
সরু সরু সবুজ পাতার ডালে ডালে গোলাকার ফুলের ভিতর থেকে বের হওয়া সরু হলুদ পাপড়ির মূখে সাদা অংশের সেই কদম ফুলকে সাঁজিয়ে তোলে ভিন্নভাবে। সুন্দর একটি ফুলের মাঝে এত ভিন্নতার ছোঁয়া প্রকৃতিতে এই কদম ফুলকে করে তুলেছে সবার কাছে আরও গ্রহনযোগ্য। বর্ষা মৌসুমের আগমনী বার্তা নিয়ে আসে সবার পরিচিত এই কদম ফুল। কদমের মিষ্টি হাসিই সবাইকে মনে করিয়ে দেয় এই বুঝি বর্ষা এলো।
বর্ষা মানেই গুচ্ছ গুচ্ছ কদম ফুলের সেই মিষ্টি সুবাস। বাতাসে দোল খাওয়া কদম ফুলের তালে তালে পাখিরাও নেচে আজ পাগলপরা। গাইতে থাকে মিষ্টি সুরে গানও। নন্দিত এই ফুল সংগ্রহ করে কেউ কেউ প্রিয়জনকে উপহারও দিয়ে থাকে।
এব্যাপারে ঝাঁপা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি গোলাম রসুল চন্টা বলেন, কদম ফুলকে বলা হয় বর্ষার দুত। প্রতি বছরই কদম ফুল বর্ষার আগাম বার্তা বয়ে আনে প্রকৃতির বুকে। বর্ষা ঋতুর প্রথম মাস আষাঢ়েই ফোটে কদম ফুল। আর এটাই আবহমান বাংলার চিরাচারিত নিয়ম। বিভিন্ন স্থানে দেখা মিলছে কদম ফুলের। এই বিরামহীন বর্ষনে গাছের সবুজ পাতার আড়ালে ফুটে উঠেছে সবার প্রিয় এই কদম ফুল।
