বিশেষ প্রতিনিধি:সোমবার যশোর আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাকে স্বাগত জানাতে জোরেশোরে চলছে প্রস্তুতি। সেই সাথে নেয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্ত ব্যবস্থা। এই সফরে প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে উলাশীর জিয়া খালের পুনঃখনন এবং যশোর মেডিকেল কলেজের ৫০০ শয্যা হাসপাতালের ভবন নির্মাণ উদ্বোধন হবে। এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি এলাকা নিরাপত্তা চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে।

যশোরবাসীর আশা, বিশেষ করে যশোরের দুঃখখ্যাত ভবদহ সমস্যার স্থায়ী সমাধানের রূপকল্প ঘোষণা করবেন এই সফর থেকে। এ ছাড়া, কৃষিপ্রধান এই জেলায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শেষ স্মৃতি জগদীশপুর তুলা গবেষণা ও বীজ বর্ধন খামার রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগের ঘোষণা আসতে পারে যশোরের ঈদগাহ ময়দানের জনসভা থেকে। এ ছাড়া, যশোর সিটি করপোরেশন ঘোষণার বিষয়টিও জনগণ নানাভাবে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন জানান, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম বারের মতো যশোর আসছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাকে বরণ করতে সব রকমের প্রস্তুতি রয়েছে জেলা বিএনপি’র।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা সভায় যশোর এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছিলেন, জনগণের ভোটে বিএনপি যদি সরকার পরিচালনার সুযোগ পায় তাহলে যশোরবাসীর উন্নয়নের দাবিগুলো পর্যায়ক্রমে পূরণ করা হবে। মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে সেই প্রতিশ্রুতি পূরণে যশোর আসছেন তিনি। এই সফরে প্রধানমন্ত্রীর হাতে তার পিতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত উলাশী খালের পুনঃখনন এবং যশোর মেডিকেল কলেজে ৫০০ শয্যার হাসপাতালের ভবন নির্মাণ উদ্বোধন হবে।
প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে স্মরণীয় করে রাখতে যশোর ঈদগাহ ময়দানে জেলা বিএনপি আয়োজিত সমাবেশ সফল করতে জেলা বিএনপি’র উদ্যোগে চলছে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ। প্রতিদিন জেলা জুড়ে চলে সভা, মিছিল, লিফলেট বিতরণসহ নানা কর্মসূচি। নেতৃবৃন্দের দাবি- সমাবেশস্থল ঈদগাহ ময়দান ও এর আশপাশের এলাকায় লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটবে বলছেন জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে নির্বিঘ্ন করতে প্রস্তুত জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক আশেক হাসান জানান, প্রধানমন্ত্রীর যশোর আগমন ও তার সকল কর্মসূচি সফল করতে আমরা সংশ্লিষ্ট দপ্তর প্রধানদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেছি। সার্বিক বিষয়ে সব রকমের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী যেসব রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করবেন সেসব রাস্তা মেরামত, সংস্কার ও রাস্তার দুই পাশের ঝোপঝাড় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা, প্রয়োজনে রাস্তার পাশের দৃশ্যমান প্রাচীরগুলো সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে রং করানো হচ্ছে। সেই সাথে নেয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
