সাব্বির হোসেনঃ
দেশের বিভিন্ন এলাকায় শিশুদের মধ্যে হাম রোগের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় অভিভাবকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালটেন্ট (শিশু) ডা. আবু ইউসুফ।
তিনি বলেন, “হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা সহজেই একজন শিশুর কাছ থেকে অন্য শিশুর মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। এ রোগের প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে জ্বর, সর্দি, কাশি, চোখ লাল হওয়া এবং পরবর্তীতে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি দেখা দেয়।”
ডা. আবু ইউসুফ জানান, সাধারণত জ্বর শুরুর ৩ থেকে ৪ দিনের মধ্যে শরীরে ফুসকুড়ি প্রকাশ পায়। এ সময় শিশুকে আলাদা কক্ষে রাখা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং পর্যাপ্ত তরল ও পুষ্টিকর খাবার দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
তিনি আরও বলেন, “হামকে কখনোই সাধারণ জ্বর বা ঠান্ডা ভেবে অবহেলা করা ঠিক নয়। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, এমনকি চোখের জটিলতাসহ মারাত্মক সমস্যা দেখা দিতে পারে।”
প্রতিরোধের বিষয়ে তিনি জোর দিয়ে বলেন, “হাম থেকে সুরক্ষার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো টিকাদান। জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে শিশুদের হাম ও রুবেলা টিকা নিশ্চিত করতে হবে। কোনো শিশুর মধ্যে উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে।”
সবশেষে তিনি অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, “সচেতনতা, পরিচ্ছন্নতা এবং সময়মতো টিকাদানের মাধ্যমেই আমরা আমাদের শিশুদের হাম থেকে নিরাপদ রাখতে পারি।”
